দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদ আসলেই দেশের প্রেক্ষাগৃহে নতুন সিনেমা মুক্তির হিড়িক পড়ে। আসন্ন ঈদুল আজহাতেও মুক্তির তালিকায় রয়েছে নয়টি সিনেমা। তবে এসব সিনেমা প্রদর্শনের জন্য দেশে নিয়মিত হল রয়েছে মাত্র ৬০-৭০টি। প্রদর্শক মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ঈদ উপলক্ষে সাময়িকভাবে আরও ২০-৩০টি হল চালু হতে পারে।
এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তি তালিকায় রয়েছে- রকস্টার, মালিক, রইদ, মাসুদ রানা, নাকফুলের কাব্য, দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, পিনিক, বনলতা সেন এবং তছনছ। প্রতি বছর ঈদের আগে এমন অর্ধ ডজন সিনেমা মুক্তির মিছিলে থাকলেও ঈদের আগ মূহুর্তে সরে আসতে দেখা যায় অনেক ছবিকেই। এবার ঘটছে ব্যতিক্রমী ঘটনা। ঈদের বাকি দুইদিন। এখনও কোনো সিনেমাই মুক্তির পথ থেকে ফিরে আসার ঘোষণা দেয়নি। অর্থাৎ ঈদুল আজহায় নয়টি ছবিই মুক্তি পাচ্ছে!
একই সময়ে এত সিনেমা আসায় কোনো ছবিই পর্যাপ্ত শো পাবে না বলে জানিছেন হল মালিকরা। ফলে মাল্টিপ্লেক্স থেকে শুরু করে সিঙ্গেল স্ক্রিন-সবখানেই তৈরি হয়েছে স্ক্রিন সংকট। বিশেষ করে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে তারকানির্ভর ছবিগুলো বেশি অগ্রাধিকার পাওয়ায় মাঝারি বাজেটের সিনেমাগুলো পড়বে আরও বেশি চাপে।
একসঙ্গে এতোগুলো ছবি মুক্তিকে বড় ধরনের ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসবে দেখছেন চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল। তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সবাই একসঙ্গে ছবি মুক্তি দেওয়ার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, সেটি দীর্ঘমেয়াদে প্রযোজকদের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
চলচ্চিত্র মুক্তি ও ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে কার্যকর তেমন কোনো কাঠামো না থাকায় মুক্তি নিয়ে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে। চলচ্চিত্র মুক্তি নিয়ে এমন বিশৃঙ্খলা ঠেকাতেপ্রযোজক, পরিবেশক, নির্মাতা ও হল মালিকদের সমন্বয়ে একটি রিলিজ কমিটি কাজ করার পরমর্শ দিয়েছেন অনেকেই।
কেএম